• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

“পানি খাও, আর গোল দিয়ো না ”

সিসি নিউজ ডেস্ক।। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক শামসুন্নাহার জুনিয়রকে ঘিরে ধরেছিলেন ভুটানের ফুটবলাররা। আবদার ছিল একটা ছবি তোলার। হাসিমুখে প্রতিপক্ষ ফুটবলারদের সেই ইচ্ছা পূরণ করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। বাংলাদেশের ফুটবলে বিরল এক দৃশ্যই দেখা গেছে গতকাল!

অথচ অনন্য কৌশল আর গতিতে গতকাল ভুটানের মেয়েদের নাচিয়ে ছেড়েছেন শামসুন্নাহার। তাঁর হ্যাটট্রিকে ভুটানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে অনূর্ধ্ব-২০ সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে স্বাগতিকেরা। শামসুন্নাহারকে আটকাতে গলদঘর্ম হলেও ভুটানের মেয়েরা ঠিকই উপভোগ করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়কের খেলা। ভক্ত বনে গেছেন শামসুন্নাহারের খেলারও।

আজ সংবাদ সম্মেলনে প্রসঙ্গটি উঠতেই হাসির রোল উঠল। ভুটানের মেয়েরা তাঁর কাছে কী জানতে চেয়েছেন, সেই কথা বলতেই শামসুন্নাহার দিলেন মজার এক তথ্য। বললেন, ‘শেষের দিকে ওদের তিনজন খেলোয়াড় বলছিল, পানি খাও। আমি বলছি, পানি খাব না। ওরা বলে, পানি খাও আর গোল দিয়ো না (হাসি)। পরে অবশ্য আমি পানি খেয়েছি।’

ম্যাচ শেষে শামসুন্নাহারের চুলের প্রশংসা করে তাঁর ফেসবুক আইডিও নিয়েছে ভুটানের ফুটবলাররা। নিজেদের শামসুন্নাহারের ভক্তও বলেছেন এই ফুটবলাররা। শামসুন্নাহার বলেছেন, ‘খেলার পর ওরা এসে বলেছে, তোমার বড় ভক্ত আমরা। তোমার খেলা দেখে ভক্ত হয়ে গেছি। চুলের ধরন ভালো লেগেছে। ফেসবুক নাকি ইনস্টাগ্রাম—কোনটা চালাই; এসব জানতে চেয়েছে। ছবি তুলতে চেয়েছে।’

নেপালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে গোল পেয়েছিলেন শামসুন্নাহার। আগামীকাল নিজের গোলের চেয়ে সতীর্থদের দিয়ে গোল করাতে বেশি আগ্রহী বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘দলের পারফরম্যান্স সবার আগে। আমি চেষ্টা করব দল যেন জেতে। গোলের সুযোগ আমার বেলায় যদি ৫০ শতাংশ থাকে, কিন্তু অন্যের যদি ৭০ শতাংশ থাকে, তাহলে আমি তাকে দিয়েই গোল করাব। কারণ, এখানে দলের ফল আগে। দলের ফল আগে বের করে পরে নিজের চিন্তা করব।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ